ভূমিকা
ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ
নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার
পর
নবনির্বাচিত সংসদ
সদস্যদের শপথ
গ্রহণের মধ্য
দিয়ে
আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন
সরকারের যাত্রা
শুরু
হয়।
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় এই
শপথ
অনুষ্ঠান রাষ্ট্র পরিচালনার সাংবিধানিক ভিত্তিকে সুদৃঢ়
করে
এবং
জনগণের
রায়কে
কার্যকর রূপ
দেয়।
এবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
দায়িত্ব গ্রহণ
করেন জনাব তারেক
রহমান,
যার
নেতৃত্বে নতুন
মন্ত্রিপরিষদ গঠিত
হয়।
ধাপ ১: নির্বাচন ফলাফল গেজেট প্রকাশ
নির্বাচন কমিশন
কর্তৃক
চূড়ান্ত ফলাফল
ঘোষণা
ও
গেজেট
প্রকাশের মাধ্যমে নবনির্বাচিত সংসদ
সদস্যদের আইনগত
বৈধতা
প্রদান
করা
হয়।
এই
ধাপ
শেষ
না
হলে
শপথ
গ্রহণ
সম্ভব
হয়
না।
ধাপ ২: শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
শপথ
অনুষ্ঠান সাধারণত জাতীয়
সংসদ
ভবনে
আয়োজন
করা
হয়।
এ
আয়োজন
পরিচালনা করে
বাংলাদেশ জাতীয়
সংসদ
সচিবালয়।
প্রস্তুতির মধ্যে
থাকে—
- শপথ পাঠের কপি প্রস্তুত
- আসন বিন্যাস
- নিরাপত্তা
ব্যবস্থা
- গণমাধ্যম
কভারেজের আয়োজন
ধাপ ৩: সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি নবনির্বাচিত সংসদ
সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ
করান।
এ
দায়িত্ব পালন
করেন জনাব
মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন।
শপথের
মূল
বিষয়গুলো—
- সংবিধান রক্ষা
- রাষ্ট্রের
সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা
- সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন
ধাপ ৪: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ
সংসদে
সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের
নেতা
হিসেবে জনাব
তারেক
রহমান
প্রধানমন্ত্রী পদে
শপথ
নেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁকে
সরকার
গঠনের
আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
এর
মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম শুরু
হয়।
ধাপ ৫: মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ
প্রধানমন্ত্রীর পর
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও
উপমন্ত্রীরা শপথ
গ্রহণ
করেন।
এই
শপথও মহামান্য
রাষ্ট্রপতি পরিচালনা করেন
এবং
এর
মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত
হয়,
যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ধাপ ৬: দপ্তর বণ্টন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু
শপথের
পরপরই—
- মন্ত্রণালয়
বণ্টন
- সচিবদের সঙ্গে বৈঠক
- নীতি নির্ধারণী
অগ্রাধিকার ঠিক করা
এই ধাপ থেকেই নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়।
নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা
১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের
দাম
স্থিতিশীল রাখা
এখন
সবচেয়ে
বড়
চ্যালেঞ্জ।
২. কর্মসংস্থান সৃষ্টি
যুবসমাজের জন্য
নতুন
চাকরি
ও
ফ্রিল্যান্সিং/আইটি
খাতে
সুযোগ
বৃদ্ধির প্রত্যাশা রয়েছে।
৩. দুর্নীতি দমন
প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
জরুরি।
৪. অবকাঠামো উন্নয়ন
গ্রাম
ও
শহরের
বৈষম্য
কমাতে
সড়ক,
স্বাস্থ্য ও
শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি
রয়েছে।
৫. ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক রূপান্তর
ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে
আরও
সম্প্রসারণ ও
বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির আশা
করছে
জনগণ।
উপসংহার
0 Comments